দীর্ঘদিন ধরে চলছে টালবাহানা, আর, তার ফলস্বরূপ গতকাল ফিফা এবং এএফসি থেকে চিঠি এলো এআইএফএফ'এর কাছে। উল্লেখ্য চিঠিতে বলা হয়েছে ৩০ অক্টোবরের মধ্যে নতুন সংবিধান লাগু করতেই হবে অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশন কে, না হলে চূড়ান্ত পদক্ষেপ নিতে পারে ফিফা, সাসপেন্ড করা হতে পারে এআইএফএফ কে, অনির্দিষ্টকালের জন্য।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এই মামলা চলছে ২০১৭ সাল থেকে, যখন সুপ্রিম কোর্ট দিল্লি হাইকোর্টের রায়ের পর এআইএফএফ নির্বাচনকে অবৈধ ঘোষণা করে।
প্রাক্তন বিচারপতি এল. নাগেশ্বর রাও একটি খসড়া সংবিধান তৈরি করেছিলেন, যা বিভিন্ন অংশীদারদের কাছে পাঠানো হয়েছিল!
এপ্রিল ২০২৫-এ সুপ্রিম কোর্ট রায় “রিজার্ভ” রেখেছিল, তবে এখনো তারা সেই রায় ঘোষণা করেনি। আদালত জানিয়েছে রায় প্রস্তুত, তবে 'জাতীয় ক্রীড়া শাসন আইন, ২০২৫' অনুযায়ী সমন্বয়ের জন্য স্থগিত রাখা হয়েছে।
পরবর্তী শুনানি নির্ধারিত হয়েছে আগামীকাল, ২৮ আগস্ট, ২০২৫-এ।
ফিফা এবং এএফসি ৩০ অক্টোবর, ২০২৫-এর মধ্যে নতুন সংবিধানকে সুপ্রিম কোর্টে অনুমোদন, এআইএফএফ সাধারণ সভায় গৃহীত করার নির্দেশ দিয়েছে। নির্ধারিত সময়সীমা মেনে চলতে ব্যর্থ হলে ভারত সাসপেনশন-এর ঝুঁকিতে পড়বে, ফলে জাতীয় দল এবং ক্লাবগুলো কোনো আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবে না।
এখানেই সমস্যায় পড়তে পারে মোহনবাগান এবং গোয়া। নিজেদের যোগ্যতায় গতবারে লীগ জিতে এশিয়ায় খেলতে যাচ্ছে মোহনবাগান। ফিফা ব্যান হলে এএফসি তে খেলার যোগ্যতাও হারাবে মোহনবাগান, কারণ, তখন ফিফা এবং এএফসি অনুমোদিত কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার যোগ্যতা হারাবে যে কোনো ভারতীয় দল। সমস্যায় পড়তে পারে ইষ্টবেঙ্গল মহিলা দল 'ও, যারা ভারতের প্রতিনিধিত্ব করছে এশিয়ায়!
এবারের এসিএল-টু গ্রুপ নিয়ে বেশ আশাবাদী মোহনবাগান সদস্য সমর্থকেরা। ভালো কিছু করে দেখানোর জেদ আছে কোচ-ফুটবলারদের'ও, সেখানে জাতীয় ফেডারেশনের বদান্যতায় এমন অনিশ্চয়তায় বেজায় ক্ষুব্ধ সবাই।
প্রশ্ন উঠছে ২০১৭ থেকে ৮ বছর হয়ে যাওয়ার পরেও কেনো এখনো নতুন সংবিধান এলোনা! এহেন পরিস্থিতিতে ফিফা উইন্ডোর বাইরে কোন ভরসায় প্লেয়ার ছাড়বে মোহনবাগান, প্রশ্ন উঠছে বিভিন্ন মহলে!